MEDINIKATHA – Purba Medinipur (Midnapore), Tourism & Archaeology

599.00

  • Author: Arindam Bhowmik
  • Publisher: Arindam's
  • ISBN-13: 9788193189238
  • Pages: 284
  • Binding: Paperback
  • Year of Pub / Reprint Year: 2016

Description

A magnificent book about Archaeology & Tourism of Purba-Medinipur District. It includes:- • 288 full colour pages(Including maps) • 21 amazing Sea-Beaches • More than 300 wonderful heritage sites • 30 breathtaking tourist destinations • 16 incredible Folk Arts • 15 feature maps (all chapters includes a separate map) • Unknown information & photographs collected from European universities • Photographs from British Museum, Ashmolean Museum etc.

This book contains total 15 chapters.

1) Tamluk 2) Contai 3) Khejuri 4) Nandigram 5) Moyna 6) Patashpur 7) Bhagabanpur 8) Panskura 9) Mahisadal 10) Haldia 11) Nandakumar 12) Egra 13) Ramnagar 14) Samudra (Sea Beaches) 15) Loksilpa (Folk art & Crafts)

২৮৮ পাতার সম্পূর্ণ রঙ্গিণ একটি অসাধারণ বই ” মেদিনীকথা – পূর্ব মেদিনীপুর, পর্যটন ও পুরাকীর্তি ”

প্রত্যেকটি পাতায় রয়েছে প্রচুর রঙ্গিণ আলোকচিত্র।বইটিতে রয়েছে ৩০০ টির ও বেশি পুরাতাত্তিক নিদর্শন , ৩০ টির ও বেশি আকর্ষণীয় পর্যটন স্থল , ২১ টি সমুদ্র সৈকত , ১৬ টি লোকশিল্প , ইউরোপিয়ানদের তোলা ও আঁকা বহু প্রাচীন চিত্র , প্রত্যেকটি অঞ্চলের মানচিত্র (এছাড়াও বইটির শেষে রয়েছে একটি এ৩ সাইজের জেলার মানচিত্র), প্রত্যেকটি উল্লিখিত গ্রামের আখাংশ ও দ্রাঘিমাংশ। ……

তাম্রলিপ্তের নানা অজানা কাহিনী , কোথায় গেল সেই অশোক স্তম্ভ ? বরাহ মন্দিরটিই বা কোথায় ? কি হয়েছিল খেজুরির সেই ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে ? ধর্মমঙ্গল খ্যাত লাউসেনের স্মৃতি বিজড়িত গ্রামগুলোই বা কোথায় ? মা বর্গভীমা আসলে কে ? বর্গভীমা মন্দিরটি কি হিন্দু মন্দির ছিলো ? মসনদ-ই-আলার কাহিনী কি আপনি জানেন ? নেতাজি , গান্ধীজি , রবীন্দ্রনাথ , দ্বিজেন্দ্রলাল আরো অনেকের পূর্ব মেদিনীপুরে আসার কাহিনী। হিন্দি সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এই জেলারই মানুষ। পাঁশকুড়ার হারিয়ে যাওয়া জনপদ , মেদিনীপুরের টেমস নদীর ব্রিজ কোথায় ? যার উপর ও নিচ দিয়ে যেত স্টিমার ও নৌকো ? এই জেলার একটি শহরের নামে নামকরণ হয়েছে একটি ফুলের। কোথায় গেলে দেখতে পাবেন বিখ্যাত সাপের মেলা ? ভারতের প্রথম ভাসমান বাঁধ পরীক্ষা করা হয়েছিল এই জেলায়। দেখতে চান প্রাগৈতিহাসিক যুগের সংগ্রহশালা ? ইউরোপিয়ানদের সংগ্রহ থেকে জানা গেলো মহিষাদল নাম কেন হলো ? সুক্ষদেশের রাজকুমারী কান্দুকাবতীর কথা ? নাটশাল থেকে আবিষ্কার হয়েছে পুরাতন প্রস্তর যুগের বহু প্রত্নবস্তু। এগরার বেসিন এলাকা থেকে পাওয়া মেসোলিথিক ব্লেড, বোন পয়েন্ট ইত্যাদি থেকে কুষাণ যুগের মুদ্রা, ব্যাসল্ট পাথরের বহুতর দেবদেবী মূর্তি ইত্যাদি কতকিছুর কথাই অনেকের জানার বৃত্তের বাইরে রয়ে গেছে। সেসব সামনে এনে দিয়েছে আশ্চর্য এই গ্রন্থ – ‘মেদিনীকথা’। বহু রাজপরিবারের ঠিকুজি-কুলুজি, অজস্র খন্ডহর মন্দির-মসজিদের সচিত্র বিবরণ এখন কৌতহলীদের হাতের মুঠোয়। ভারতের প্রথম টেলিগ্রাফ অফিসের স্তম্ভ, খেজুরিতে ভিনদেশী নাবিকদের জীর্ন সমাধিবেদী, কাশীজোড়া রাজবংশের কামান বা পীর তাজ খাঁ ‘মসনদ-ই-আলা’র আশাবাড়ি – কতোকিছুরই বিবরণ গাঁথা হয়েছে এতে। হাজার হাজার বছর অতীতের মেদিনীপুর তার মুখ তুলে ধরেছে বর্তমানের আয়নায়, ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য।…

মেদিনীপুরকে জানুন ও অপরকে জানান।